• SAVE THE HUMANITY- BANGLADESH - Slide
  • SAVE THE HUMANITY- BANGLADESH - Slide
  • SAVE THE HUMANITY- BANGLADESH - Slide
  • SAVE THE HUMANITY- BANGLADESH - Slide
মেনু নির্বাচন করুন

মানবাধিকার সংগঠন সেভ দ্যা হিউম্যানিটি বাংলাদেশ;


সেভ দ্যা হিউম্যানিটির দৃষ্টিতে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে- বেহাল দশাঃ    আমাদের করণীয়

                                মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

সেভ দ্যা হিউম্যানিটির দৃষ্টিতে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রের সমস্যা ও সম্ভাবনা স্বাধীনতা অর্জনের পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেলেও। কৃষি ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যাশিত উন্নয়নতো হয়নি বরং কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক ধ্বংস নেমে এসেছে। চাল, আটা, তৈল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য সামগ্রীর ক্রয় মূল্য সময়ের সকল সীমা অতিক্রম করেছে। বর্তমানে কৃষি বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হিসাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ লোক প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষাভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। যদিও বর্তমানে এই মহৎ পেশাটির উপর গ্রামাঞ্চলের মানুষের নির্ভরশীলতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। অন্যভাবে বলা চলে, বর্তমানে অনেক কৃষক কৃষিকাজ ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশা বেছে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

আবহামানকাল ধরে এদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কৃষক সমাজ গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ যেহেতু একটি কৃষি প্রধান দেশ সেহেতু বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত হচ্ছে কৃষক সমাজের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানো।

বর্তমানে আমাদের কৃষিক্ষেত্রের দৃশ্যমান সমস্যাগুলো নিম্নরূপঃ ১। অধিক উৎপাদনের জন্য কৃষকদের কাছে বীজ, সার ও কীটনাশক প্রয়োজন মত হাতে এসে পৌছে না। ২। উৎপাদিত ফসল কৃষক সমাজ বাজারে, বিক্রয় করতে গেলে ন্যায্য মূল্য পায় না। ৩। স্বাধীনতা অর্জনের পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেলেও আমাদের দেশে কৃষি নির্ভর শিল্পকারখানা তেমন গড়ে উঠেনি বললেই চলে।

৪। লোকসান গুনতে গুনতে কৃষিকাজের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। ৫। কৃষকদের সমস্যাগুলো অতীতের সরকারগুলো যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে পারে নাই বলে মনে হয। ৬। বাংলাদেশে কৃষি বিষয়ে স্নাতক, ডিপ্লোমা কিংবা উচ্চতর ডিগ্রীধারী গ্র‍্যাজুয়েটের স্বল্পতা রয়েছে।

৭। বাংলাদেশে কৃষি বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা কর্মের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিজ্ঞানীর অভাব রয়েছে। ৮। আমাদের স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা গুলোতে কৃষি বিষয়ে যে জ্ঞান দেয়া হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। ৯। কৃষি বিষয়ে বাংলাদেশের মিডিয়া গুলোর প্রচার প্রচারণা যথেষ্ট নহে অনুমতি হয়। ১০। বাংলাদেশের কৃষকদের সমবায় সমিতি জাতীয় সংগঠনের অভাব রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।

বাংলাদেশের মাটির গুনগত মান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আমাদের কৃষি জমিগুলো ক্রমশঃ চাষাবাদ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মাটির মুখ্য দুটো খাদ্য উপাদান যথাক্রমে পটাশিয়াম ও ফসফরাসের তীব্র অভাব মাটির মধ্যে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের মাটিতে বর্তমানে এ্যামোনিয়া নাইট্রোজেনের পরিমানও সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। আমাদের কৃষকরা একই জমিতে বার বার একই ধরনের ফসল উৎপাদন করে। একটি জমিতে কতটুকু সার প্রয়োগ করা উচিৎ সে সম্পর্কে আমাদের কৃষক সমাজের তেমন কোন ধারনা নেই বললেই চলে।

সেভ দ্যা হিউম্যানিটির দৃষ্টিতে স্বাধীনতা অর্জনের পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেলেও। কৃষি ক্ষেত্রে আমাদের প্রত্যাশিত উন্নয়নতো হয়নি বরং কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক ধ্বংস নেমে এসেছে। চাল, আটা,তৈল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য সামগ্রী ক্রয় মূল্য সময়ের সকল সীমা অতিক্রম করেছে। বর্তমানে কৃষি বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হিসাবে পরিলক্ষিত হচ্ছে। বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ লোক প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষাভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। যদিও বর্তমানে এই মহৎ পেশাটির উপর গ্রামাঞ্চলের মানুষের নির্ভরশীলতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাচ্ছে। অন্যভাবে বলা চলে, বর্তমানে অনেক কৃষক কৃষিকাজ ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশা বেছে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। জমি ভরাট করে বাসস্থাল নির্মানের ফলে দিন দিন কৃষি জমির স্বল্পতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।

আবহামানকাল ধরে এদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে কৃষক সমাজ গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ যেহেতু একটি কৃষি প্রধান দেশ সেহেতু বাংলাদেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান পূর্বশর্ত হচ্ছে কৃষক সমাজের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানো।

অধিক উৎপাদনের জন্য কৃষকদের কাছে বীজ, সার ও কীটনাশক প্রয়োজন মত হাতে এসে পৌছে না। জৈব সার অনুপস্থিতি। বাংলাদেশে কৃষি বিষয়ে স্নাতক, ডিপ্লোমা কিংবা উচ্চতর ডিগ্রীধারী গ্র‍্যাজুয়েটের স্বল্পতা রয়েছে। বাংলাদেশে কৃষি বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা কর্মের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিজ্ঞানীর অভাব রয়েছে। আমাদের স্কুল, কলেজ গুলোতে কৃষি বিষয়ে যে জ্ঞান দেয়া হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। কৃষি বিষয়ে বাংলাদেশের মিডিয়া গুলোর প্রচার প্রচারণা যথেষ্ট নহে। বাংলাদেশের কৃষকদের সমবায় সমিতি জাতীয় সংগঠনের অভাব রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।


বাংলাদেশের মাটির গুনগত মান পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আমাদের কৃষি জমিগুলো ক্রমশঃ চাষাবাদ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। মাটির মুখ্য দুটো খাদ্য উপাদান যথাক্রমে পটাশিয়াম ও ফসফরাসের তীব্র অভাব মাটির মধ্যে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের মাটিতে বর্তমানে এ্যামোনিয়া নাইট্রোজেনের পরিমানও সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। আমাদের কৃষকরা একই জমিতে বার বার একই ধরনের ফসল উৎপাদন করেন। একটি জমিতে কতটুকু সার প্রয়োগ করা উচিৎ সে সম্পর্কে আমাদের কৃষক সমাজের তেমন কোন ধারনা নেই বললেই চলে। আমাদের দেশের কৃষকদেরর ধারনা অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য জমিতে অধিক পরিমানে সার প্রয়োগ করা উচিত। "কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে" মাটি ও মানুষের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ এই সমস্যাটির সমাধানকল্পে মাটি পরীক্ষা করে মাটির উর্বরতা ক্ষমতা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পাশাপাশি কৃষকদের মধ্যে গণসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সেমিনার ও কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই।

--------------------------------------------------------------------

 

মানবাধিকার কর্মী : মানবাধিকার সংগঠন সেভ দ্যা হিউম্যানিটি বাংলাদেশ; বাংলাদেশের জনগণের

 

- মোহাম্মদ ওসমান গনি (এনু) , লেখক,গবেষক,প্রত্নতাত্বিক আবিস্কারক ও মানবাধিকার কর্মী।

 

মানবাধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে দীর্ঘ পনের বছর যাবৎ চাঁদপুর, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও ঢাকা জেলায় বিস্তৃত এই সংগঠন অসংখ্য সমাজ কল্যাণমূলক কাজের সাথে যুক্ত থেকে সমাজের নির্যাতিত দরিদ্র, অবহেলিত শ্রেণির মানুষের জীবন মান উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও বিনামুল্যে অস্বচ্ছল বৃদ্ধ, বিধবা, এতিমদের চিকিৎসা সেবা, অসচ্ছল তরুন তরুনীদের সেলাই ও কম্পিউটার ট্রেনিং দিয়ে যাচ্ছে বিনা খরচে। তাছাড়া বাংলাদেশের ভঙ্গুর প্রাকৃতিক পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন প্রকল্প প্রণয়নে উদ্যোগি হয়েছে যেমন-"গ্রীণ বাংলাদেশ, ক্লিন বাংলাদেশ প্রোগ্রামের আওতায় গ্রীণ সিটি, ক্লিন সিটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর বাংলাদেশ" বিনির্মাণে এগ্রিয়ে থাকতে চায় এই সংগঠন।

সর্বোপরি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বেকার যুবক ও যুব-মহিলাদের কৃষি ও কারিগরি খাতে স্বল্প মেয়াদী কর্মসূচীর মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে যা বাস্তবায়িত করা গেলে দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার বিরাট পরিবর্তন আসবে।

ভবিষ্যতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অটিজম নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা ও আমাদের রয়েছে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার চরমভাবে লংঘন হচ্ছে যা মানবজাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জার। নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর দৃঢ় মনোবল নিয়ে গঠিত এই সংগঠন আগামীতে বাংলাদেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেয়ার স্বপ্নই আমাদের এগিয়ে চলার পাথেয়।